Xbagee বিশ্বাস করে গেমিং মানুষের বিনোদনের একটা মাধ্যম – এটা কখনো জীবনের বোঝা হওয়া উচিত নয়। তাই আমরা দায়িত্বশীল গেমিংকে শুধু নিয়মের কাগজে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তবে সদস্যদের হাতে দিয়েছি প্রয়োজনীয় সব টুলস।
গেমিং আনন্দের হোক – এই লক্ষ্যে Xbagee যে বিষয়গুলোকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়
Xbagee-তে দায়িত্বশীল গেমিং কোনো স্লোগান নয় – এটা প্রতিদিনের কাজে দেখা যায়। প্রতিটি সদস্যের অ্যাকাউন্টে নিরাপত্তার একটা পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থা আছে যেটা তিনি নিজেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। গেমিং শুরু করার আগে এই টুলসগুলো একবার সেট করে নিলে পরে আর আলাদাভাবে মনে রাখতে হয় না।
বাংলাদেশে অনলাইন বিনোদনের জগৎ দ্রুত বড় হচ্ছে। মোবাইলে সহজ অ্যাক্সেস আর বিকাশে ঝামেলামুক্ত পেমেন্টের কারণে অনেকেই এখন Xbagee-র মতো প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করছেন। এই সহজলভ্যতা যেমন সুবিধার, তেমনি একটু সাবধান না থাকলে অভ্যাস বদলে যাওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হয়। সেই কারণেই Xbagee দায়িত্বশীল গেমিংয়ের বিষয়টাকে প্ল্যাটফর্মের মূল অংশ হিসেবে রেখেছে।
দায়িত্বশীল গেমিংয়ের প্রথম নীতি হলো – গেমিং একটা বিনোদন, অর্থ উপার্জনের পথ নয়। যারা মনে করেন গেমিং থেকে নিয়মিত ইনকাম করা সম্ভব, তারা আসলে নিজেদেরকে বড় ক্ষতির দিকে নিয়ে যাচ্ছেন। অনলাইন গেমিংয়ে দীর্ঘ মেয়াদে হাউসের এজ সবসময় থাকে। এর মানে এই নয় যে খেলা যাবে না – এর মানে হলো প্রত্যাশা বাস্তবসম্মত রাখতে হবে।
Xbagee-র দায়িত্বশীল গেমিং ব্যবস্থার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ডিপোজিট লিমিট। প্রতিটি সদস্য নিজেই ঠিক করতে পারেন প্রতিদিন, প্রতি সপ্তাহে বা প্রতি মাসে সর্বোচ্চ কত টাকা ডিপোজিট করবেন। এই সীমা একবার সেট করলে কমানো যায় তাৎক্ষণিকভাবে, কিন্তু বাড়াতে হলে ২৪-৭২ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় – ইচ্ছার বিরুদ্ধে যাতে কেউ বেশি খরচ করতে না পারেন সেজন্য।
সেশন টাইমার আরেকটা কার্যকর টুল। অনেক সময় গেমিংয়ে এতটাই ডুবে যাওয়া হয় যে সময়ের হিসাব থাকে না। সেশন টাইমার সেট করলে নির্দিষ্ট সময় পরপর একটা বার্তা আসে যেটা মনে করিয়ে দেয় কতক্ষণ ধরে খেলা হচ্ছে। সময় দেখে নিজেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।
লস লিমিট হলো আরেকটা বুদ্ধিমানের সুবিধা। দৈনিক বা সাপ্তাহিক একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ হারানোর পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে গেমিং বন্ধ হয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা যায়। তখন আবেগের বশে আরও বেশি হারানোর সম্ভাবনা থাকে না।
কুলিং-অফ পিরিয়ড হলো সাময়িক বিরতির ব্যবস্থা। ২৪ ঘণ্টা থেকে শুরু করে ছয় সপ্তাহ পর্যন্ত যেকোনো সময়কালের জন্য অ্যাকাউন্ট সাময়িক স্থগিত করা যায়। এই সময়ে লগইন করা যায় না। কুলিং-অফের সময় শেষ হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অ্যাকাউন্ট সক্রিয় হয়।
সেলফ-এক্সক্লুশন হলো সবচেয়ে শক্তিশালী টুল। যদি কেউ অনুভব করেন যে গেমিং তার জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে এবং দীর্ঘ সময়ের জন্য দূরে থাকতে চান – ছয় মাস থেকে স্থায়ীভাবে – সেলফ-এক্সক্লুশন সেই সুযোগ দেয়। সেলফ-এক্সক্লুশনের সময় ড্রাফট মেল বা বোনাস অফারও পাঠানো হয় না।
Xbagee-র টিম নিয়মিত গেমিং প্যাটার্ন পর্যবেক্ষণ করে। যদি কোনো সদস্যের ব্যবহার সমস্যাজনক মনে হয় – যেমন হঠাৎ করে ডিপোজিটের পরিমাণ বা ফ্রিকোয়েন্সি অনেক বেড়ে যাওয়া – তখন সাপোর্ট টিম নিজে থেকে যোগাযোগ করতে পারে এবং সহায়তার প্রস্তাব দেয়।
মনে রাখবেন – এই টুলসগুলো ব্যবহার করা কোনো দুর্বলতার লক্ষণ নয়। বরং নিজের সীমা জানা এবং সেটা মানা আসলে স্মার্ট গেমিংয়ের সংজ্ঞা। Xbagee চায় প্রতিটি সদস্য দীর্ঘদিন ধরে আনন্দের সাথে প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করুক – এক রাতে সব শেষ করে দিক না।
নিচের যেকোনো একটি সত্য হলে Xbagee সাপোর্টে যোগাযোগ করুন:
প্রতিটি সদস্যের অ্যাকাউন্টে বিনামূল্যে পাওয়া যায় এই টুলসগুলো
মাত্র কয়েক মিনিটেই নিজের সীমা নির্ধারণ করে নিন – একবার সেট করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করে
এই সহজ নিয়মগুলো মেনে চললে গেমিং সবসময় আনন্দের থাকে
গেমিং আসক্তি ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে। এই লক্ষণগুলো দেখলে সাবধান হওয়ার সময় এসেছে
Xbagee-তে ১৮ বছরের কম বয়সীদের অ্যাকাউন্ট তৈরি ও গেমিং সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। নিবন্ধনের সময় জন্মতারিখ নেওয়া হয় এবং নির্দিষ্ট পরিমাণের উইথড্রয়ালে NID যাচাই করা হয়।
যদি আপনার পরিবারে ছোট বাচ্চা থাকে এবং আপনি একই ডিভাইসে Xbagee ব্যবহার করেন, তাহলে ডিভাইসে পিন লক বা অ্যাপ লক ব্যবহার করুন। এটা অপ্রাপ্তবয়স্কদের অ্যাক্সেস রোধ করার সহজ উপায়।
অ্যাকাউন্ট ও প্রোফাইল সংক্রান্ত যা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়
Xbagee-তে নিবন্ধন করুন এবং প্রথম দিন থেকেই দায়িত্বশীল গেমিং টুলস সেট করে একটা নিরাপদ ও আনন্দময় গেমিং অভিজ্ঞতা শুরু করুন।